এমপি পাপুলকে জেলে প্রেরণ, ঘটনাটি লজ্জার বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

361

মিরর বাংলাদেশ :  মানবপাচার ও অর্থপাচারের দায়ে কুয়েতে আটক লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাকে জেলে পাঠিয়েছে কুয়েতের সংশ্লিষ্ট আদালত।
কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি নাম প্রকাশ না করে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার রাতে মুশরিফ আবাসিক এলাকার বাসা থেকে এমপি পাপুলকে আটক করে কুয়েতের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট। এরপর রোববার বিকেলে তাকে দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন ডিপার্টমেন্টে পাঠানো হয়। এখানে তার জামিনের জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাকে জেলে পাঠান।
যদিও এমপি পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম দাবি করছেন-তার স্বামীর আটকের বিষয়টি গুজব।

লক্ষ্মীপুর–২ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুলকে কুয়েতে আটক করার ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তাঁর মতে, সারা বিশ্ব যখন মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, এমন সময়ে সাংসদের আটকের খবর অনভিপ্রেত।

রবিবার রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম লক্ষ্মীপুরের সাংসদ কাজী শহিদ ইসলামকে আটকের বিষয়টি টেলিফোনে ঢাকায় জানিয়েছেন। যদিও কুয়েতের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রবিবার পর্যন্ত কিছু জানায়নি।

শনিবার রাতে কুয়েত সিটির মুশরিফ আবাসিক এলাকার বাসা থেকে কুয়েত সিআইডির কর্মকর্তারা কাজী শহিদকে তাদের দপ্তরে নিয়ে যায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কুয়েত থেকে রাষ্ট্রদূত আমাকে জানিয়েছেন লক্ষীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম আটক হয়েছেন বলে শুনেছেন। সেখানকার সিআইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। সাংসদ কুয়েতে একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।