করোনা রোগী ভর্তির খররে হাসপাতাল ছেড়েছে অন্য রোগীরা

633

মিরর বাংলাদেশ: নারায়ণগঞ্জে এক চীনা ও দুই ভারতীয় নাগরিকসহ বিদেশ ফেরত ৯৪ জন রয়েছেন হোম কোয়ারেন্টাইনে। এছাড়া জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় ইতালি প্রবাসী এক যুবক, তার শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে রাখা হয়েছে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে (আইসোলেশন)। জেলায় এই প্রথম কাউকে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের হাপসাতালে রাখার খবরে পালিয়ে গেছে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অন্য রোগিরা ।
শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ নয়াদিগন্তকে জানান , রূপগঞ্জ উপজেলায় ইতালি ফেরত এক প্রবাসী যুবক হোম কোয়ারেন্টাইনে না মানার কারণে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ারেন্টাইন সেলে রাখা হয়েছে। একই সাথে তার ৮ মাসের সন্তান ও স্ত্রীকেও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া পুরো জেলায় ৯৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। যাদের মধ্যে একজন চীনা ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক।
সিভিল সার্জন জানান, শুক্রবার হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে বেরিয়েছেন ১৫ জন। ১৪ দিন পর্যবেক্ষনে থাকার পরও তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে
রূপগঞ্জে স্ত্রী, শিশু সন্তানসহ ইতালি প্রবাসী যুবককে কোয়ারেন্টাইন সেলে রাখা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ারেন্টাইন সেলে নেওয়া হয়। জেলার মধ্যে এই প্রথম কাউকে কোয়ারেন্টাইন সেলে রাখা হয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এমন খবরে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে ভর্তি থাকা বেশ কয়েকজন সাধারণ রোগী।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, সাতদিন আগে উপজেলার রূপসী এলাকার তমিজউদ্দিনের মেয়ের জামাই ইতালি প্রবাসী আরিফ হোসেন এয়ারপোর্ট থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে না গিয়ে তার নিজ বাড়ী কাপাসিয়া চলে যান। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে আরিফ দুইদিন আগে উপজেলার রূপসী এলাকায় শ^শুর তমিজউদ্দিনের বাড়ী ওঠেন। এখানে তার অবাধে চলাফেরার কারনে এলাকাবাসী করোনা ভাইরাস আতংকে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি আরিফসহ তার পরিবারের ১৫ জনকে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন।
এবং গতকাল শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ইতালি প্রবাসী আরিফ তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ও শিশু মেয়ে আলিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। সেখানে হাসপাতালের ডাক্তাররা তাদের পর্যবেক্ষনে রেখেছেন। এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এমন খবরে আতংক ছড়িয়ে পরে হাসপাতালজুড়ে। ভর্তি হবার পর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন বেশ কয়েকজন সাধারণ রোগ