বন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের ফসলী জমি কাটার চেষ্টাকালে বেকু চালকসহ কাউন্সিলর এনায়েত-বাদল গংয়ের ২ সদস্য আটক

1240

মিরর প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ :  বন্দরে পার্ক নির্মাণের নাম করে বীরমুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ কৃষকদের ফসলী জমি বেকু দিয়ে কেটে দখলের চেষ্টাকালে বেকু চালকসহ বিএনপির স্থানীয় কাউন্সিলর এনায়েত-বাদলের ২ সহযোগীকে আটকসহ মাটি কাটা বন্ধ করে দিয়েছে বন্দর উপজেলা সহকারি কমিশণার(ভূমি) আসমা সুলতানা নাসরিন। সোমবার সকাল ১১টায় বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা এলাকায় নদীর পাড় থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।পরে তাদেরকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।সূত্র মতে,উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন,আবদুল মারুফ,তাহেরুল ইসলাম,নেছার আহাম্মদ, রেজাউল করিম ও হাবিবুর রহমানসহ এলাকার নিরীহ কৃষকরা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি সংলগ্ন পয়স্তি জমিতে প্রায় ১০০ বছর ধরে শাক-সব্জি ও ফসল চাষাবাদ করে আসছে। সম্প্রতি নিরীহ কৃষকদের ওই সম্পত্তি দখলে নিতে দক্ষিণ লক্ষণখোলা এলাকার মৃত সাত্তার বেপারীর ছেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের স্থানীয় ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাশকতা মামলার আসামী এনায়েত হোসেন এবং তারই সহযোগী উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার এলাকার মৃত সানোয়ার মিয়ার ছেলে বাদলসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র নানা কূট কৌশল চালায়। এ লক্ষে গত ২৫ রমজান পার্কের উন্নয়ন কাজের টেন্ডার হয়েছে বলে করোনা পরিস্থিতিতে বিপুল সংখ্যক লোকের সমাগম ঘটিয়ে মিলাদ মাহফিল করে এবং মিলাদ শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে (রোজার দিনেও)মিষ্টি বিতরণ করে। বিষয়টি এলাকায় হাস্যকর পরিবেশের সৃষ্টি করে। এনায়েত-বাদল বাহিনী কেবল মিলাদ পড়িয়েই ক্ষান্ত নয়,গত সোমবার সকাল থেকেই কাউন্সিলর এনায়েত-বাদল গং বেকু দিয়ে ওই সকল জমির মাটি জোরপূর্বক কেটে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রথম শ্রেণীর বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট বন্দর উপজেলা সহকারি কমিশণার(ভূমি) আসমা সুলতানা নাসরিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে বেকু চালকসহ ২জনকে আটক করেন। পরে এনায়েত-বাদল গংয়ের মাটি কাটা কাজ বন্ধ করে দেন। ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানেএলাকাবাসী ও নিরীহ জমি মালিকরা ধন্যবাদ জানান।প্রকাশ থাকে যে, উল্লেখিত এনায়েত-বাদল গং এর আগেও এই জমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল কিন্তু সে সময় মামলা-মোকদ্দমার কারণে তাদের মিশন ব্যার্থ হয়।