শরীয়তপুরে আইসোলেশনে থাকা যুবকের মৃত্যু

649

মিরর বাংলাদেশ :  শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা যুবকের মৃত্যুর পর পুলিশের সহায়তায় তাকে নড়িয়ার চন্ডিপুর সরকারী গণকবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এ কাজে বাঁশকাটা, কবর করা, কবরে নামোনোসহ সব কাজই করেন নড়িয়া থানা পুলিশ। জানাযা পড়ান নড়িয়া থানা মসজিদের ইমাম।

নড়িয়া থানা পুলিশ ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা ৩৪ বছর বয়সের এক যুবকের মৃত্যু হয়। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নীতিমালা অনুযায়ী স্থানীয় ৪ সদস্যের বিশেষ কমিটির সদস্যরা ওই লাশ দাফনের জন্য নিয়ে যান নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ মাদরাসা কবরস্থানে।

কবরস্থান কর্তৃপক্ষ সেখানে কবর না দেয়ার জন্য দাবী করেন।

এর পর নড়িয়া থানা পুলিশ ওই যুবকের বাবার পৈত্রিক এলাকা চন্ডিপুর সরকারী গণকবরস্থানে তাকে দাফন করেন। এলাকার কোনো লোকজন এগিয় না আসায় লাশের দাফন সম্পন্ন করতে বাঁশকাটা থেকে শুরু করে সকল কাজই করেন নড়িয়া থানা পুলিশ। জানাযায় নড়িয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাফিজুর রহমান, এস আই ইমরান, এসআই মামুন, এসআই নাজমুল, এসআই হাফিজসহ ১৫জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ওই মৃত্যুব্যক্তির দুই মামা, এলাকার এক যুবক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪ সদস্যের টিম পুলিশকে সহযোগিতা ও জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। তবে ওই যুবক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলো কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ওই যুবকের মরদেহ প্রথমে নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ মাদরাসা কবর স্থানে দাফন করার জন্য নিয়ে গেলে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ সেখানে দাফন না করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে আমরা একই উপজেলার চন্ডিপুর সরকারি গণকবরস্থানে দাফন করি