সীমিত আকারে চালু হচ্ছে গণপরিবহন,বাড়ছে না সরকারি ছুটি

874

মিরর বাংলাদেশ :  সীমিত আকারে গণপরিবহনও চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।  বুধবার রাত আটটার দিকে তিনি গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, সীমিত যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে।করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ দিন ধরে চলা সাধারণ ছুটি আর বাড়াচ্ছে না সরকার। ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধিসহ কিছু নিয়ম মানা সাপেক্ষে খুলে দেয়া হচ্ছে সরকারি অফিস। ১৫ জুন পর্যন্ত সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে কাজ করতে হবে। বয়স্ক, অসুস্থ এবং গর্ভবতী নারীরা অফিস করবেন না। গণপরিবহনও চলবে না। আপাতত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে ১৫ জুন পর্যন্ত। তবে, চালু থাকবে অনলাইন কোর্স।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন হয়েছে, এ ধরনের নতুন নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, আগের নিয়মেই রাস্তাঘাটে চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। ১৫ জুন পর্যন্ত এক জেলা হতে আরেক জেলা যাতায়াত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। প্রতিটি জেলার গমন ও বহির্গমন পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। হাটবাজার, দোকানপাট স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতোই বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে। সরকারি, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চালু থাকবে। ব্যাংকগুলোর শাখা সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। গণপরিবহণ, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল বন্ধ থাকবে। ব্যক্তিগত গাড়ি চলবে। তবে, কর্মস্থলে যোগদানের জন্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারেব। গণজমায়েত বা সভাসমাবেশ বন্ধ থাকবে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা সব এখনই ওপেন করে দিচ্ছি না। আস্তে আস্তে করতে চাচ্ছি। সব মন্ত্রণালয় খোলা থাকবে, তবে লোকজন সীমিত পরিসরে থাকবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৩ শে মার্চ সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। পরে দ্বিতীয় দফায় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত, তৃতীয় দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ও চতুর্থ দফায় ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বর্ধিত করা হয়। এরপরও পরিস্থিতির উন্নত না হওয়ায় পঞ্চম দফায় ১৬ মে এবং সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধি করে সরকার।