১১ এপ্রিল পর্যন্ত গার্মেন্টস বন্ধ রাখুন : বিজিএমইএ

679

মিরর বাংলাদেশ :  সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক।

শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় গার্মেন্টস মালিকদের প্রতি এই অনুরোধ জানান।

সমিতির সদস্য কারখানা মালিকদের বলেন, ‘‌‌সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে সব কারখানার মালিক ভাই ও বোনদের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’ অবশ্য তার আগে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি বলেছিলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কারখানায় রপ্তানি ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছে কেবলমাত্র সেসব কারখানা চালু রাখা যাবে। তবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শ্রমিকের মার্চ মাসের মজুরি নিয়ে সমস্যা হবে না। কারখানায় কোনো শ্রমিক উপস্থিত না হলে চাকরি হারাবেন না। বিষয়গুলো মেনে চলতে সদস্য কারখানা মালিকদের অনুরোধ করেন তিনি।

এদিকে বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সদস্য কারখানা মালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, খুব জরুরি না হলে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে পারেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শ্রমিকদের নিজ নিজ অবস্থানে থাকতে অনুরোধ করেছিলাম। তারা কেন বাড়ি চলে গিয়েছিল আমাদের বোধগম্য নয়।’

বন্ধ থাকা পোশাক কারখানা রোববার (৫এপ্রিল) খোলার কথা ছিল। সে জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করা শ্রমিকেরা শনিবার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলে ফিরতে থাকেন। সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও শ্রমিকেরা পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহেন্দ্রসহ ছোটখাটো গাড়িতে করে ফিরতে দেখা গেছে। মাওয়া ঘাটে দেখা গেছে যাত্রী বোঝাই ফেরি। ফলে কর্মস্থলে ফেরা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি ভেস্তে যায়। সারা দিন বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় রাতে কারখানা বন্ধের অনুরোধ জানাতে বাধ্য হতো পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ